Showing posts with label personal. Show all posts
Showing posts with label personal. Show all posts

Thursday, July 19, 2007

A Shocking Incidence


It’s few days I’m suffering mentally.

My THAMMA (grand-mother) … about 95 years of age... She got ill some days ago… seriously ill. It seems that it is her last disease in life. Jaundice – the disease. Doctor said- it’s due to a STONE in her stomach. Operation might be needed. Unfortunately her age and physical condition might not support this. But it’s the specialist doctor who can confirm whether it would be possible or not. So she should be transferred to Dhaka.

Her sons and daughters met together… discussed the situation. Pathetically, they reached in conclusion that her physical condition is not that much well to transfer her to Dhaka. They were certain that operation must not be possible; it would merely send her to death.

This decision just shocked me…. The main person behind this is some elder person – mighty enough to suppress others. I don’t know who were against this decision, but could not protest. My father was such one. But he did not posses enough courage to deny. Shame! My elder brother tried to change the decision. He got some in his side … even including he mighty person. Although not from heart, but from social point of view. But almost all put ALL RESPONSIBILITIES to my brother. Strange!! One person is trying, but all are discouraging him!! Pity… just pity… Even a son who stays in Dhaka told that if she could not be admitted in hospital, then it would be VERY VERY tough to continue her treatment. Directly he did not utter that he would not take her to his own house. Another son, whom I dislike most, told that “whatever you can do, I’ll not do anything, not even my wife.” Pathetic!! Simply pathetic!!! They followed another way - they STRONGLY told my brother to ENSURE the admission in hospital. But as a matter of fact, it might be 2 days late… virtually impossible for my brother to do so staying at home. So that time he had to come back from his position. In the mean time, the physical condition got worse...

The ultimate bad man is myself... Just observing, doing nothing.... shame on me!

My mother telephoned me to go home, as thamma can lie to death any time… I’m going… …

Tuesday, July 3, 2007

অনুচ্চারিত




কেমন যেন একই বৃত্তে ঘুরপাক খাচ্ছি কেবল... একই নাটকের পুনরাবৃত্তি করে যাচ্ছি প্রতিদিন... এলার্মের বিরক্তিকর শব্দে ঘুম ভাঙ্গে সেই সক্কালে... হাত-মুখ ধোঁয়া, নাস্তা করা, গোসল করা প্লাস-মাইনাস... এভাবেই চলে অফিস যাওয়ার প্রস্তুতি... সারাদিন অফিসে... ফিরতে ফিরতে কোনদিন ৭টা, কোনদিন ৮টা... রাতে খাওয়ার সময় চলে আসে... এরই মাঝে কারো সাথে খানিকক্ষণ আড্ডা কিংবা পেপার পড়া কিংবা গল্পের বইয়ে চোখ বুলানো... ততক্ষণে চোখজোড়া নিভুনিভু করতে শুরু করে... অতএব ঘুম... আরেকটা দিনের সমাপ্তি... ... ... প্রতিদিন একই রুটিন... ডায়েরি কিংবা ব্লগ লিখাটাও হয়ে উঠেনা... ক্লান্তি আর নিস্পৃহতায় পেয়ে বসে আমাকে... এই কি চেয়েছিলাম? নিজেকে জিজ্ঞেস করি... উত্তর একটা আসে বটে, কিন্তু মানতে পারিনা- ‘থাকা-খাওয়ার একটা নিশ্চয়তা’... এইটুকুই কি সব??? আমি আসলে জানিনা আমি কী চাই, কোন পথে যেতে চাই... চাওয়া-না চাওয়ার দোলাচলে আহত হচ্ছি বারবার, রক্তাক্ত হচ্ছি প্রতিনিয়ত... এরই মাঝে আবার ভাল থাকার অভিনয় করে যাচ্ছি... হায়রে...

বি.দ্র. - যাক, কথাগুলো বলতে পেরে বেশ হালকা লাগছে।

Sunday, May 6, 2007

ছোট্ট মা ও ছোট্ট কথা

ছবিটার দিকে তাকালে প্রথমেই কোন জিনিসটা চোখে পড়ে? নিশ্চয়ই দুজনের সাবলীল হাসি, তাইনা? ছোট্টমনিকে বিশেষ করে নজরে পড়ে না? অমন নিষ্পাপ হাসি কি কারো দৃষ্টি এড়ায়? ... ও আমার ভাগ্নি। দেখতে দেখতে ছয়-ছয়টি মাস পার করে দিল। তার নাম... অনেক নাম তা ... মা (আমার বোন) রেখেছে স্বাগতা, বাবা বৈশালী, ঠাকুমার দেয়া নাম অহনা, বড় মামার পছন্দ আদৃতা, দাদু ডাকে স্বপ্না, দেবাদৃতা নামটাও রেখেছিল কোন একজন ... আমি? আমি আলাদা কোন নাম রাখিনি তার, ডাকি মা/মামণি বলে ... সে আমার ছোট্ট মা। কথা বলা এখনো শুরু করেনি। তবে আমার খু-উ-ব ইচ্ছা তার বকবকানি শুনব। আর সেই চেষ্টা চালিয়ে আসছি ছয় মাস ধরেই। সামনে পেলেই মা ডাক শিখাতে চেষ্টা করি। অবশ্য অন্য একটা উদ্দেশ্যও আছে আমার - কোনমতে যদি একবার মা ডাক শিখে, তবে তা পরপর দুবার বললেই তো ____ ;) কথা বলার পাশাপাশি সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য জিনিসটাও শিখবে - সে একদিন ভালবাসতে শিখবে, ভালবাসাতে শিখবে। সে একদিন বড় হবে, অ-নে-ক বড় হবে... পরিপূর্ণ মানুষ হবে।

প্রাসঙ্গিক কিংবা অপ্রাসঙ্গিকঃ কিছুদিন আগে একটা ইংরেজি শব্দের দিকে চোখ গেল - ‘ADULTERATION’ADULT হওয়া আর ADULTERATION কি একই প্রসেস? কথাটা বিশ্বাস করতে ইচ্ছা না হলেও একদম উড়িয়ে দেয়া যায় কি???



Monday, April 23, 2007

বছর শুরুর বৃষ্টি


শেষ বিকেলে বিছানায় শুয়ে শুয়ে যখন আড়মোড়া ভাঙছিলাম - খেয়াল করলাম বাইরে দারুণ বাতাস বেশ আরামের হালকা ঠান্ডা মনে হচ্ছে বৃষ্টি হবে একটু পরকিন্তু বাতাসটাই ভাল লাগছেমাঠে গেলে আরো ভাল লাগতসবি (রুমমেট) কে ঘুম থেকে ডেকে তুললামএতে যতক্ষণ দেরী হল, ততক্ষণে বৃষ্টি ঝরতে শুরু করেছেসবি এবার ভিজতে চাইল সামনে পরীক্ষা বললাম ভিজব না, যদিও কষ্ট হলবৈশাখের বৃষ্টি, বছর শুরুর বৃষ্টি, আর আমি ভিজব না - কষ্ট হবে না? তবুও সংযত করলাম নিজেকেবাস্তবতার স্বার্থে হত্যা করলাম মনের ছোট্ট ইচ্ছাকে

এখন কী করি? নিচে ঝালমুড়ি বিক্রি করছেভাবলাম খেয়ে আসিএগিয়ে চললাম সেদিকে তিন তলা হতে যেই না নিচে নামলাম, মনটা আবার বেঁকে বসল বৃষ্টিতে ভিজার ইচ্ছেটা আবার জেগে উঠলইচ্ছাটাকে দ্বিতীয়বার আর হত্যা করলাম না একটা রুমে মোবাইল-মানিব্যাগ-জামা রেখে হলের মাঠে ভিজতে নামলাম আমরা দুই রুমমেটকিন্তু বিধি বামএতক্ষণে বৃষ্টি থামতে শুরু করেছেতবুও মাঠে দাঁড়িয়ে রইলাম বেশ কিছুক্ষণযা ভিজলাম তাতে কিছুই হল নাএরপর যখন জামা পরলাম - সব আবার আগের মতোই স্বাভাবিক, যদিও পরনে বৃষ্টি-ভিজা প্যান্ট

ভিজা অবস্থায়ই ঝালমুড়ি খেলামএরপর কেন্টিনে গেলাম নাস্তা খেতে খাওয়া শুরু করলামএদিকে আমাদের নিয়ে প্রকৃতির খেলা থামে না বৃষ্টি আবার নামতে শুরু করেছেআমারাও কি হার মানি! আবার ভিজতে নামলামএবার গেলাম ক্যাম্পাসেচিরচেনা বুয়েট ক্যাম্পাসেথেমে থেমে ঝরতে থাকা ধারায় ভিজতে ভিজতে রাস্তায় হাঁটতে লাগলামউদাসী মনে চক্কর দিলাম পুরো ক্যাম্পাস মনটা ভাল হয়ে গেল বৃষ্টি শেষে সন্তুষ্ট চিত্তে রওনা দিলাম হলের দিকে - রুঢ় বাস্তবতার বিরুদ্ধে বিজয়ী এক মন নিয়ে... ... ...

(22 April, 2007)



Thursday, April 5, 2007

জীবনের হিসাব বিজ্ঞান


সেই প্রথম যখন বুয়েটে এলাম, অবাক নয়নে তাকিয়ে থাকতাম সিনিয়র ভাইয়া-আপুদের দিকেআর যখন শুনতাম- উনি ৩/২ বা ৪/২ তে পড়েন, ধাঁধিয়ে যেত চোখ - ওম্মা, এত্ত সিনিয়র! বড়দের সামনে স্বভাবতই ভদ্র হয়ে যেতামকখনোই বলবনা জোর করে ভদ্র হতাম, ভদ্র হতাম তাদের সম্মানে, মন থেকেই হতামযেমন- হয়তো বারান্দায় ছুটোছুটি করছিলাম এদিক-ওদিক - এমন সময় পড়ে গেলাম এক ভাইয়ার সামনেএখন কি করি? পড়িমড়ি করে থামলামবিনয়ী ভঙ্গিতে জিজ্ঞেস করলাম - কেমন আছেন ভাইয়া? ... আবার কোন সময় হয়তো বন্ধুদের সাথে দুষ্টুমীতে ব্যস্ত - এমন সময় উদয় হলেন একজনঅতএব গুল্লি মারি দুষ্টুমী আর কোলাহলেরভাইয়ার দিকে চেয়ে হাসি- অপরাধের হাসিউনার চোখে-মুখেও যেন তির্যক হাসি - ধরে ফেলেছি, ধরে ফেলেছি ভাব

ভাবতেই কেমন অবাক লাগে- আজ আমি সেই ভাইয়াদের দলেআজ আমি ৪/২ তেজানিনা জুনিয়ররা কীভাবে দেখে আমায়তবে তাদের দেয়া ফ্লোর বিদায়, অমুক বিদায়, তমুক বিদায় আমাকে কেবলই মনে করিয়ে দেয় - বুয়েট লাইফ প্রায় শেষশেষ সময়টায় নস্টালজিয়াকে এড়াতে পারিনা অনেকের মতো আমিওমনে পড়ে টুকরো-টুকরো অনেক ঘটনা, টুকরো-টুকরো স্মৃতিস্মৃতি হাতড়িয়ে খুঁজে বেড়াই চাওয়া-পাওয়ার ব্যবধানমিলাতে চেষ্টা করি জীবনের জাবেদাকী করতে পারলাম আর কী পারলাম না- এ হিসাবের ডেবিট-ক্রেডিট মিলেনা কিছুতেইনা পারার দিকটাই এগিয়ে, বড্ড বেশি এগিয়েএটুকু জীবনে সবচেয়ে বড় সাফল্য যদি হয় বুয়েটে চান্স পাওয়া, ব্যর্থতাটাও থাকবে তার পাশেই- রেজাল্ট যে ভাল না রেজাল্টের দিকটা ছাড়লেও যেতে পারতাম প্রোগ্রামিং কন্টেস্টের দিকেযাওয়া হলনা সেদিকেওপড়াশুনার দিকটাই ছেড়ে দিলামখেলাধূলাতো এখনও আছেতবে সেখানে আমি বরাবরই দ্বাদশ ব্যক্তি (১১ জনের দলে)আরও বাকি সাংস্কৃতিক দিক- যে দিকটায় একদমই অপাঙতেয় আমি দুরবস্থার কথা কী আর বলব - হ্রস্ব-উ-কার আর উ-কার [তুমি আর তোমার] কিংবা এ-কার আর য-ফলা+আ-কার [নেশা আর ন্যাকা] এসবের মধ্যে তালগোল পাকিয়ে ফেলি এখনওহয়তো উল্লেখযোগ্য নয়- তবুও না পারার মিছিলে আরও যোগ দেয় নারীমিছিলের শ্লোগাণে শ্লোগাণে আত্মবিশ্বাসের ভীতখানিও কেঁপে উঠে কিছুটা

তবুও আত্মবিশ্বাসের সাথে এটুকু বলতে পারি- ভালকে ভাল আর খারাপকে খারাপ বলতে পারার মনটাকে ধরে রাখতে পেরেছিএখনও বন্ধুর সুখে হাসতে পারি, কাঁদতে পারি তার দুঃখেকারো কোন ভাল করতে পারলে এখনও শান্তি পাই মনে [এজন্য বাঁধন (স্বেচ্ছায় রক্তদাতাদের সংগঠন)-এর কাছে যার পর নাই কৃতজ্ঞ]এখনও আমি বন্ধুর সাথে লক্ষ্যহীন ম্যারাথন আড্ডা দিতে পারি, হাসতে পারি প্রাণ খুলে কিংবা অসংকোচ ভিজতে পারি বৃষ্টি এলে ... ... ... এখনও আমি স্বপ্ন দেখতে পারি